34ºc, Sunny
Publish at: January 1, 2026 05:56 AM
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জানাজার ঠিক আগে খালেদা জিয়ার জীবনী পাঠ করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার স্বীকার হয়ে মিথ্যা মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ বছরের বেশি সময় অন্ধকার কারাগারে আবদ্ধ থাকার সময় উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। সমগ্র দেশবাসী সাক্ষী, হেঁটে তিনি কারাগারে প্রবেশ করেছিলেন, কিন্তু নির্জন কারাগার থেকে বের হন চরম অসুস্থতা নিয়ে। দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের মতে, পরবর্তী সময়ে গৃহবন্দির চার বছর তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেওয়ার কারণেই অসুস্থতা বৃদ্ধি পায়। অবশেষে তাকে মৃত্যুর কাছে হার মানতে হলো। তাই এই মৃত্যুর দায় থেকে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা কখনো মুক্তি পাবেন না।
খালেদা জিয়া সম্পর্কে নজরুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং দেশের স্বার্থে অননমনীয়তার বিষয়টি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে ব্যক্তি শত্রু হিসেবে গণ্য করে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এমনকি তথাকথিত এক-এগারো সরকারের সময় দেশনেত্রীকে কারারুদ্ধ করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা কেবল প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য দেশনেত্রীকে তার শহীদ স্বামীর স্মৃতিবিজরিত বাড়ি থেকে উৎখাত করে। মিথ্যা অভিযোগে ১৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। তবুও আধিপত্যবাদী অপরাজনীতির সঙ্গে তিনি আপস করেননি। আপস করেননি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা ভোটাধিকারের প্রশ্নে। ফলে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফ্যাসিস্ট শাসনবিরোধী লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আজ দেশনেত্রী সব অভিযোগ থেকে মুক্ত। লক্ষ কোটি মানুষের শ্রদ্ধা ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জানাজায় আমাদের সামনে আছেন। অন্যদিকে যারা জেলে পাঠিয়েছে, যারা তাকে গৃহহীন করেছে, তারা রান্না করা খাবার খেতে পারেনি, পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। মাথার ওপর ঝুলছে মৃত্যু পরোয়ানা। এরশাদকে ভোগ করতে হয়েছে দীর্ঘ কারাবাস, এক-এগারো সরকারের প্রধান ব্যক্তিরাও দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, খালেদা জিয়াকে তার জীবনের শেষ অবধি কেউ আপসে বাধ্য করতে পারেনি। তিনি থেকেছেন জনগণের সঙ্গে। তিনি বলেছেন, বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই। তিনি জনগণের ভালোবাসায় প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তিনবার।
Fans
Fans
Fans
Fans